বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

সমুদ্রতলের ঘণ্টা

Published: 2016-07-22 00:00:00

ফিচার ডেস্ক: সমুদ্রের গভীরে লুকোনো অনুপম ঘণ্টাকৃতির স্ট্যালেকটাইটস। যেনো সাগররাজের দরবারে ধ্বনি ছাড়াই বেজে যাচ্ছে গুপ্ত দানবীয় ঘণ্টা। স্ট্যালেকটাইটস আসলে কী? শিলার সঙ্গে ঝুলন্ত কাঠামো স্ট্যালেকটাইটস। জলের প্রস্রবণে ক্যালসিয়াম সল্ট জমা হয়ে গঠিত হয় এগুলো।

ছবির গোপন ঘণ্টাগুলোর আস্তানা মেক্সিকোর ইউকাটানের পানির নিচে। ছবি তুলেছেন আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার রাইনো স্কোরবানি। স্থানীয় সিঙ্কহোলের গভীরে এই স্ট্যালেকটাইটসের ভাণ্ডার। এসব সিঙ্কহোলগুলো সেনোটা নামেও পরিচিত। 

ঘণ্টাগুলোকে নরকের ঘণ্টা, হাতির পা, সাওয়ার হেড, ভেঁপু নামে চিহ্নিত করেন অনেকে। স্ট্যালেকটাইটস আকারে ক্ষুদ্র থেকে শুরু করে এক মানুষ সমান লম্বা হয়। 

স্কোরবানি বলেন, এগুলো স্বতন্ত্র। এগুলোর সুন্দর ছবি পেতে অনেকবার ডুব দিয়েছি আমি। 

ভুতুড়ে ঘণ্টার এ আবিষ্কারটি হয়েছে মেক্সিকোর ইউকাটান পেনিনসুলাতে। এটি নিচু ও অপেক্ষাকৃত সমতল স্থান।

এ অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে গর্ত বা সিঙ্কহোল। এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু মায়া সভ্যতার জনগোষ্ঠী বিশুদ্ধ জলের উৎস হিসেবে ব্যবহার করতো। একসময় তারা এসব জলের উৎসকে কেন্দ্র করেই নগরী গড়ে তোলে। সেনোটা সাধারণত নিম্ন অক্ষাংশের অঞ্চলগুলোতে দেখা যায়। মেক্সিকোতে প্রায় ছয় হাজার সেনোটা রয়েছে। যার অর্ধেকেরও কম অনুসন্ধান করা গেছে।
  
সেনোটার ভেতর স্ট্যালেকটাইটসগুলো তৈরি হয়েছে সিলিং থেকে গড়ানোর বৃষ্টির জলের খনিজ জমা হয়ে। সাধারণত এগুলো এক ইঞ্চি পরিমাণ তৈরি হতে একশো বছর লাগে। আর ছবির এই বিশালাকার স্ট্যালেকটাইটস তৈরি হয়েছে কমপক্ষে এক হাজার বছরের বেশি সময় নিয়ে। 

তবে এগুলোর আকৃতি ঘণ্টার মতো কেন? অনেকে বলেন, বেল শেপ হওয়ার কারণ- গুহার মধ্যে বয়ে চলা বাতাস। কিন্তু এ প্রাকৃতিক ঘণ্টার আকৃতির আসল কারণ এখনও কেবল রহস্য। সূত্র: ইন্টারনেট

 

 

 

ঢাকা, ২২ জুলাই/ আমার ক্যাম্পাস/ এ এম