বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

বিজ্ঞান, বিজ্ঞাপন ও সুন্দরবন

Published: 2016-08-17 00:00:00

আবুল হাসান রুবেলঃ কয়েক বছর ধরেই কয়লাবিদ্যুত্ নিয়ে পড়াশোনা করছি মূলত পরিবেশের প্রশ্নটাকে কেন্দ্রে রেখে। সুন্দরবনের কাছে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র করার ঘোষণা আসার পর থেকে স্বাভাবিকভাবেই এ পড়াশোনার মাত্রা আরেকটু বাড়াতে হয়েছে। তবে কিছুদিন ধরে কয়লাবিদ্যুতের পক্ষে সরকারি আর কোম্পানির প্রচার-প্রচারণায় নিজেরই সন্দেহ হতে থাকল এত দিন যা জেনেছি, ঠিক জেনেছি তো?

তাই আবারো পুরনো জানাটাকে ঝালিয়ে নেয়া আর নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করতে হলো। গত কয়েক সপ্তাহে পক্ষে-বিপক্ষে বহু নিবন্ধ, রিপোর্ট, বই-পুস্তক, জার্নাল ঘাঁটাঘাঁটি করা হলো। উদ্দেশ্য, প্রথমত. নিজের জানা-বোঝায় যাতে ঘাটতি না থাকে। যারা রামপালবিরোধী আন্দোলন করছেন, তাদের অনেকের মধ্যেই এ চেষ্টা জারি আছে। নানা জন নানা দিক থেকে বিশ্লেষণ করছেন।

এ জানা-বোঝাটা একেবারে কেবল জানা-বোঝার উদ্দেশ্যে নয়, এর অন্য একটা উদ্দেশ্য আছে। সেটা হলো, সুন্দরবনকে রক্ষা করা। যাতে তার কোনো ক্ষতি না হয়, সেটা নিশ্চিত হওয়া। বিপরীতে কোম্পানির চেষ্টা হওয়ার কথা তাদের প্রকল্প চালু করা, এতে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না কেন, সে বিষয়ে সততার সঙ্গে জনগণকে আশ্বস্ত করা।

অন্যদিকে রাষ্ট্র কিংবা সরকারের কাজ হওয়ার কথা নাগরিকদের উদ্বেগ আমলে নিয়ে কী কী বিকল্প আছে, তার অনুসন্ধান, কোম্পানিকে অন্যত্র বিদ্যুৎকেন্দ্র সরিয়ে নিতে বলা এবং তার ব্যবস্থা করা, যদি নাগরিকদের দাবি অযৌক্তিক বলেও মনে হয় তবুও তাদের সংশয় দূর করার উদ্যোগ নেয়া, সুন্দরবনকে রক্ষায় তাদের পদক্ষেপগুলো সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা।

কিন্তু আমরা বর্তমানে কোম্পানি এবং সরকারের ভূমিকার কার্যত কোনো পার্থক্য দেখতে পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে, তারা একাকার হয়ে গেছে। আবার আন্দোলনকারীদের দিক থেকে কয়লাবিদ্যুত্ নিয়ে জানাশোনার যে চেষ্টাটা দেখা যাচ্ছে, প্রকল্পের পক্ষের লোকদের সুন্দরবন নিয়ে জানাশোনার সেই আগ্রহটা দেখা যাচ্ছে না।

রামপাল প্রকল্প সুন্দরবনের ক্ষতি করবে না এটা বলার জন্য সুন্দরবনকে যতটুকু উল্লেখ করতে হয়, তাদের বক্তব্যে সুন্দরবনের উল্লেখ ততটুকুই। সুন্দরবনের কী কী ধরনের বাস্তুতন্ত্র আছে, কীভাবে তাদের রক্ষা করা হবে বা তাদের আন্তঃসম্পর্ক কী কী কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, সেগুলো নিয়ে কোনো কথাবার্তা আমরা তাদের বক্তব্যে পাই না। সুন্দরবনের বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী কী কী এবং কীভাবে তাদের ওপর এ বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রভাব রাখবে না, সে রকম কথাও আমরা তাদের কাছে শুনছি না।

অথবা সুন্দবনের উদ্ভিদকুলের প্রতিবেশগত প্রয়োজন কী কী এবং সেগুলো মাথায় রেখে তা রক্ষায় কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, সে রকম কোনো কিছুও আমরা তাদের কাছ থেকে জানতে পারছি না। বরং তাদের বক্তব্যে সত্যিকার বোঝাপড়া বা অনুসন্ধানের চেয়ে বিজ্ঞাপনের একরৈখিক প্রচারণার সুরই প্রধান। ফলে তারা বৈজ্ঞানিকতার দাবি করে আসলে বিজ্ঞান নয়, প্রচার করছেন বিজ্ঞাপন। এই বিজ্ঞাপনের বিপরীতে আমরা এখানে সত্য অনুসন্ধানের বৈজ্ঞানিক পথেই বিষয়গুলোর মীমাংসার চেষ্টা করব। আর মনে রাখব টেকনোলজিই বিজ্ঞান নয়, বরং সত্য অনুসন্ধানের পথই বিজ্ঞান।

বিজ্ঞাপন-

রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এ প্রযুত্তি ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষিত হবে না। কাজেই সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা না থাকলেও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ না জেনে অহেতুক বিরোধিতা করা হচ্ছে।

বাস্তবতা

এটাই যারা বিদ্যুৎকেন্দ্র করার পক্ষে তাদের দিক থেকে দেয়া এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বহুল প্রচারিত যুক্তি। এতে বিরোধিতাকারীদের ওপর একটা ছাপ মেরে দেয়ার চেষ্টা খোলা চোখেই দৃশ্যমান। সরকারি যুক্তিতে সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন তা সব সমস্যার সমাধান করে দেবে। জ্বালানি ও বিদ্যুত্ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে কয়লাকে এমনকি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসলে এসব বক্তব্যে সত্যের ছোঁয়া সামান্যই। সারা দুনিয়ায় কয়লা সবচেয়ে দূষণকারী ও নোংরা জ্বালানি হিসেবেই স্বীকৃত, পরিবেশবান্ধব নয়। আজকাল ইন্টারনেটের যুগে যে কেউ গুগল করেই এ বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেন। বিশেষ গবেষণা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দরকার নেই। আর সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি খুব নতুন কিছু নয়। মূলত পঞ্চাশের দশকের শেষ দিক থেকেই এর ব্যবহার শুরু হয় কম কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুত্ উত্পাদনের সুবিধার জন্য। মূলত এর সঙ্গে পরিবেশের যা সম্পর্ক, তা কয়লা পোড়ানোর পরিমাণ ও দক্ষতার সঙ্গে। এ প্রযুক্তিতে অপেক্ষাকৃত দক্ষতার সঙ্গে কয়লা পোড়ানো হয়। ফলে কম কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুত্ উত্পাদন করা যায় এবং দূষণও খানিকটা কম হয়। এ প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হওয়ার পর বেশ কিছুদিন চললেও কয়লার দাম মোটামুটি স্থিতিশীল হওয়ার পর নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকেই নতুন করে এর ব্যবহার বন্ধ হয়। কেননা বেশি কয়লা পুড়িয়েও বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে আর অসুবিধা থাকে না, প্রযুক্তিগত আয়োজনের খরচ মিটিয়ে কম কয়লা ব্যবহার করেও এই পদ্ধতিতে পুরনো সাব-ক্রিটিক্যাল পদ্ধতির চেয়ে বেশি হওয়ার ফলে। অর্থাত্ এ প্রযুক্তির আবির্ভাব ও ব্যবহার কমে যাওয়ার পেছনে ছিল অর্থনৈতিক বিবেচনা, পরিবেশ নয়। এহেন সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিকে যে সর্বরোগহর দাওয়াই হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, এমনকি কয়লাকে পরিবেশবান্ধব বানিয়ে দেয়া হচ্ছে— এটা বাংলাদেশের বিশেষ ও অনন্যবাস্তবতা। এমন উদাহরণ আর কোথাও পাওয়া যাবে না। তবে এ সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি আবারো ব্যবহার শুরুর কারণ হিসেবে আসলে আছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ হিসেবে সবচেয়ে দায়ী জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহার বন্ধ করার দাবির পরিপ্রেক্ষিত। নতুন করে এ বিষয়ে গবেষণা শুরু হয় প্রযুক্তিকে আরো উন্নত করতে। বলা বাহুল্য, সেগুলো করার ক্ষেত্রে কয়লা কোম্পানির উদ্দেশ্য ছিল কয়লাকে গ্রহণযোগ্য করা, তার ভাবমূর্তি পরিষ্কার করা। এ গবেষণার মাধ্যমে প্রযুক্তিকে আরো উন্নত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়। সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির চেয়েও কয়লার এনার্জি কনভারশন রেট বাড়ানো যেতে পারে আলট্রাসুপারক্রিটিক্যাল টেকনোলজি মারফত। তাতে দূষণও আরেকটু কমে। কয়লার দহন দক্ষতা আরো বাড়ানোর প্রযুক্তি হচ্ছে অ্যাডভান্সড আলট্রাসুপারক্রিটিক্যাল টেকনোলজি। যদিও রামপালে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে না। বর্তমানে কার্বন উদ্গীরণ নিয়ে যে সচেতনতা, তার ফলে নতুন করে সে প্রযুক্তির কথা বলা হচ্ছে সেটা হলো— কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজ বা সিকুয়েন্সশন (সিসিএস) প্রযুক্তি। যাতে কার্বনের নিঃসরণ অনেকটা কমে আসে। সেটি এখনো বহুল ব্যবহারের পর্যায়ে আসেনি। এখন পর্যন্ত (জুলাই ২০১৬) এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে কেবল দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে। কিন্তু এমনকি সেই প্রযুক্তিও কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ঈঙচ২১-এ স্বাক্ষর করে এসেছে, তা পূরণে সক্ষম নয়।

কয়লা হচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে দূষিত জ্বালানি, কয়লাখনি বিপুলভাবে ভূমিরূপের গঠন পরিবর্তন করে, গাছপালা-পশুপাখি-মানুষের মৃত্যু ঘটায়। দূষিত ও ধ্বংস করে পানির উত্সকে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রবেশের আগেই কয়লা পরিবহন মারফত একবার দূষণ ঘটে। এর পর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ঢোকানোর আগে কয়লা ধুয়ে নিতে হয়, যা লক্ষ লক্ষ টন কোল স্লারির উদ্ভব ঘটিয়ে পানির উত্সকে দূষিত করে। এতে পানির মান ধ্বংস হয়, তীরবর্তী প্রাণের ক্ষতি হয় এবং আশপাশের এলাকায় স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির জন্ম দেয়। আর এসব প্লান্টে দুর্ঘটনা ঘটলে তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে সব দিকেই। উদাহরণস্বরূপ, টেনেসিতে কিংস্টন ফসিল প্লান্টে কোল স্লারির দেয়ালে ফাটল ধরে ৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘন গজ তরল কয়লার ছাই ছড়িয়ে পড়ে, যা নিকটস্থ টেনেসি নদীর ৩ হাজার একরজুড়ে এক ফুট গভীর স্তরের জন্ম দেয়। ছড়িয়ে পড়ে কয়েক মাইলজুড়ে, মানুষের বাড়িঘর, রেললাইন, রাস্তা, পুকুর ধ্বংস করে এবং পানিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি বেড়ে যায়, যার বিষক্রিয়া পানিকে দূষিত করে।

সাধারণভাবে একটা ৫০০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত করে। প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের আকার ও দক্ষতার ওপর কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ নির্ভর করে। মার্টিনস লেক টেক্সাসে ২০০৬ সালে শুধু একটি বিদুৎকেন্দ্রই ২১০ লাখ টন কার্বন নির্গত করে; যা স্লোভেনিয়া, এস্তোনিয়া, বলিভিয়া বা আফগানিস্তানের ২০০৪ সালের মোট কার্বন নির্গমনের চেয়ে বেশি। বিশ্বজুড়ে যে ২৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমনের জন্য দায়ী, তার সবকটিই কয়লাভিত্তিক।’ এগুলোর সম্মিলিত কার্বন নির্গমন ৫ হাজার ৭০০ লাখ টন, যা যুক্তরাজ্যের মোট বার্ষিক নির্গমনের সমান। ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, যার রয়েছে বহুমাত্রিক প্রভাব, তার প্রধান উত্স হলো কার্বন নির্গমন; যা সুপারক্রিটিক্যাল, আলট্রাসুপারক্রিটিক্যাল, এমনকি অ্যাডভান্সড আলট্রাসুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি দিয়েও রোধ করা যায় না। আর কার্বন শুধু বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিই ঘটায় না বরং বাতাসে কার্বনকণা ছড়িয়ে পড়লে তা উদ্ভিদের সালোক সংশ্লেষণের হারও কমায়। ফলে বনভূমি অঞ্চলে তা বাড়তি বিপদ ডেকে আনে। আর নানাভাবে এরই মধ্যে সংকটাপন্ন সুন্দরবন নতুন করে এ চাপ নিতে সক্ষম নয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষের কয়েকজন গবেষক হিসাব করে দেখিয়েছেন যে, সুন্দরবন বার্ষিক ৪১ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাপ নিতে সক্ষম এবং আমাদের দুশ্চিন্তা না করতে উপদেশ দিয়েছেন। কিন্তু তারা বেমালুম চেপে গেছেন যে, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে এর চেয়ে অনেক বেশি কার্বন নিঃসরণ হবে এবং সুন্দরবন এরই মধ্যে কার্বন শোষণ করে, নতুন কার্বন হবে তার জন্য বাড়তি চাপ। আর এ চাপ নেয়ার সক্ষমতা সুন্দরবনের নেই। কিন্তু এগুলো রামপালে কয়লাবিদ্যুতের পক্ষের লোকেরা মানতে রাজি নন। তারা বলছেন, তারা এমন ব্যবস্থা করবেন, যাতে আর দূষণই হবে না। কয়লাবিদ্যুত্ উত্পাদনের নতুন কোনো প্রযুক্তি কি তারা আবিষ্কার করে ফেলেছেন? নিশ্চয়ই তা করেননি। ফলে দুনিয়ায় নতুন যেসব প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হচ্ছে, সেগুলোর ব্যবহারই তাদের করতে হবে। এগুলো নিয়ে যখন বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়া যায় তখনই দেখা যায়, আসলে ‘ক্লিন কোল’ পক্ষীয়দের যে যুক্তি, কমবেশি তারই কথা বলছেন তারা। আসলে ক্লিন কোল বলে কিছু নেই বরং তা ‘কোলের ইমেজ ক্লিন’ করারই একটা প্রচেষ্টা মাত্র। এখানে আমরা ক্লিন কোল-বিষয়ক যেসব মিথ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, কোম্পানির প্রচার মারফত সেগুলোর উল্লেখ করে এর বিপরীতে বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এখানে প্রাসঙ্গিকভাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে যে প্রচার/নিবন্ধের জবাব দেয়া হয়েছে, তারও পর্যালোচনা করা হবে।

বিজ্ঞাপন-

কয়লা ধৌতকরণ কয়লায় সালফার ও অন্যান্য খনিজ উপাদান কমায়।

বাস্তবতা

কয়লা ধৌতকরণ বিপুল পরিমাণ কোল স্লারির জন্ম দেয়। যাকে বর্জ্যের স্তূপে জমা করা হয়। বৃষ্টির পানি এগুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে নদী বা অন্যান্য জলাধারে মেশায়। এগুলো অ্যাসিডিক ও এতে অনেক ভারী ধাতু মিশে থাকে। কয়লা ধোয়া বাবদ কোল স্লারি দূষণ বিষয়ে বক্তব্য কোম্পানি বা সরকার কারো দিক থেকেই আসেনি। [চলবে]

লেখক: গবেষক রাজনৈতিক কর্মী

 

 

 

 

ঢাকা, ১৭ আগস্ট/ আমার ক্যাম্পাস/ এ এম