শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১২ ফাল্গুন ১৪২৪
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

দাম বৃদ্ধির ‘কৌশলে’ খুচরা বিক্রেতারা

Published: 2016-08-20 00:00:00

ডেস্ক রিপোর্ট

চট্টগ্রামঃ কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে মসলা পণ্য পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দাম বৃদ্ধির জন্য নানা ধরনের ‘কৌশল’ করছেন খুচরা বিক্রেতারা। শুক্রবার চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, বাজার ভেদে ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে পণ্যগুলো। এমনকি একই বাজারে পণ্যভেদে ৫ থেকে ২০ টাকা দামের পার্থক্যে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজার ভেদে প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩ থেকে ২৮ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। চকবাজারে কিছু মুদি দোকানে পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা গেছে ২৩ টাকা আবার কিছু দোকানে ২৫ থেকে ২৮ টাকা। যে দোকানগুলোতে ২৮ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে তারা বলছেন পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে বিক্রেতাদের কথায় ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে বলছেন এখনো দাম বাড়েনি। তবে ঈদের আগে বাড়তে পারে। ফলে অনেকে আগে থেকেই বেশি দামে বিক্রি করছেন।

একই অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে কাজির দেউড়ি, রেয়াজউদ্দিন বাজার এবং ২ নম্বর গেইট কর্ণফুলী কমপ্লেক্সে। পাইকারি বিক্রেতাদের সাথে মোবাইলে কথা বলে জানা গেছে পেঁয়াজের দাম সি’র রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে আকার ও মান ভেদে প্রতিকেজি ১৬ থেকে ২০ টাকা। গত এক সপ্তাহ ধরেই এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

এ দিকে আদার দাম আরো বেশি নিতে দেখা গেছে খুচরা বিক্রেতাদের। বাজার ও দোকান ভেদে আদা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। তবে বৃহস্পতিবার পাইকারি বাজারে আগের দামেই আদা বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।

মেসার্স গ্রামীণ বাণিজ্যালয়ের বিক্রেতা রাজু জানান, ‘গত কয়েক মাস ধরেই চায়না আদা মান ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৪ টাকা কেজি। কোরবানী ঈদের আগে দাম বাড়বে কী-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো বলা সম্ভব হচ্ছে না। সেটা নির্ভর করবে আমদানি ও সরবরাহের ওপর। তবে খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন পণ্যটির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

অন্যদিকে, রসুনের দামে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়নি। পণ্যটির দাম আগে থেকেই বেশি ছিল। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে। তবে দু’একটি দোকানি বিক্রেতারা বলেছেন রসুনের দাম ঈদের আগে আরো বাড়তে পারে।

পাইকারি বাজারে বৃহস্পতিবার প্রতিকেজি চায়না রসুন ১৫৫ এবং দেশি রসুন ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে। দেশি রসুনের সরবরাহ বাজারে খুব কম বলেও জানিয়েছেন ব্যবসাযীরা।

কাজির দেউড়ি বাজারের ক্রেতা আফজাল হোসেন বলেন, ‘ঈদ এলেই পেঁয়াজ, রসুন এবং আদার দাম বাড়বে এটা আবার নতুন কি। পাইকার কিংবা খুচরা বিক্রেতারা উভয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কোরবানি ঈদের আগে ক্রেতাদের বেশি দামে কিনতে হবে সে জন্য তারাও মানসিকভাবে প্রস’ত। ক্রেতাদের পক্ষে কথা বলারতো আর কেউ নাই।’

 

 

 

 

ঢাকা, ২০ আগস্ট/ আমার ক্যাম্পাস/ এ এম