বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮, ১০ মাঘ ১৪২৪
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

মেয়রদের সমালোচনা তো অনেক হল, আসুন একটু নিজেদের সমালোচনা করি

রুহুল সাকিব | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2017-04-22 11:57:03

যদি পৃথিবীর সচেয়ে বড় প্রাকৃতিক ডাস্টবিন খোঁজা হয় তাহলে হয়তো সেখানে চট্টগ্রাম শহরের ড্রেন-খালগুলার নাম উঠে আসবে! চকলেট/চিপসের খোসা থেকে শুরু করে হেন জিনিস নাই যা আমরা এখানে ফেলি না।

জি হ্যাঁ, জলাবদ্ধতার অন্যতম কারন যত্রতত্র বিশেষ করে ড্রেন-খালগুলাতে ময়লা ফেলা! ময়লা ফেলার জন্য ঘর, বাড়ী, দোকান, অফিস, এপার্টমেন্টে স্মার্ট ডাস্টবিন পৌঁছে দেয়া হয়েছে তারপরেও আমরা মন যেখানে চায় সেখানে ময়লা ফেলি! পূর্ববর্তী মেয়রের সময়েও রাস্তার পাশে ময়লা ফেলার ড্রাম দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাদের দায়িত্বহীনতায় সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

গতবছর পত্রিকায় একটা রিপোর্ট দেখলাম, মেয়র সাহেব একজনকে কানে ধরে উঠবস করিয়েছেন ড্রেনে ময়লা ফেলার অপরাধে ! এরপর আমিও কিছুদিন আতংকিত ছিলাম, না জানি কখন আবার রাস্তায় চুইঙ্গামের প্যাকেট ফেলার অপরাধে আমাকেও ফেঁসে যেতে হয়!

চিন্তা করুন, একজন মেয়রকে যদি রাস্তায় নেমে এসে "যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলবেন না" এই বাণীর চর্চা করান লাগে তাহলে স্বাভাবিকভাবেই উন্নয়নের পরিকল্পনাগুলা এরকম জলাবদ্ধতায় ভেসে যেতে বাধ্য। আমরাও মেয়র সাহেবদের উদ্ধার করে নিজেদের দায়িত্ব সমাপ্ত করব। মেয়র পরিবর্বতন হবে, নতুন মেয়র আসবেন কিন্তু আমাদের অবস্থার পরিবর্তন হবে না। এভাবেই চলতে থাকবে। বছরের পর বছর...।

জলাবদ্ধতা সমস্যা চট্টগ্রামের একটি অনেক পুরাতন এবং প্রধান সমস্যা। এটি সমাধানের জন্য মেয়র, নাগরিক উভয়কেই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল আচরন করা লাগবে। একপাক্ষিক আন্তরিকতায় সমস্যার সমধান পাওয়া আকাশ-কুসুম কল্পনা বৈ কিছুই না।

একসময় চিপস/চকলেট/ চুইঙ্গাম ইত্যাদির প্যাকেট যেখানে সেখানে ফেলতাম। এখন চেষ্টা করি যথাযথ যায়গায় ফেলার। যথাযথ যায়গা না পেলে পকেটে রাখি। জায়গামত ফেলার চেষ্টা করি। এখনো পুরাপুরি রপ্ত করতে পারিনি তারপরেও চেষ্টা করি.....

 

 

 

 

 

 

 

লেখক: রুহুল সাকিব
প্রকৌশলী ও তরুণ উদ্যোক্তা