বুধবার, ২০ জুন ২০১৮, ৫ আষাঢ় ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

গানে গানে পরিচয়

ডেস্ক রিপোর্ট | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2017-05-11 17:53:14

বরিশালের সবাই শর্মীকে চেনে একনামে। কারণ, শর্মী চন্দের সুর ছুঁয়ে গেছে যে বরিশালের দশ দিক! নজরুল, দেশাত্মবোধক কিংবা আধুনিক গান-সব রপ্ত করেছেন আপন মমতায়। তাই নিজ ক্যাম্পাসে শুধু নয়, তাঁর পদচারণ বরিশালের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সবত্র। শর্মী বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটটের অধিনে এমএসএস ইন ভিক্টমোলজি এন্ড রেস্টরেটিভ জাস্টিজ (ভিআরজে) অধ্যায়নরত।

বরিশাল বেতারের তালিকাভুক্ত এই শিল্পী ২০১০ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে দেশব্যাপী সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য প্রতিযোগিতায় দেশাত্মবোধক ও নজরুলসংগীতে চ্যাম্পিয়ন হন।

‘আমি ২০০৯ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আন্তকলেজ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দেশাত্মবোধক ও আধুনিক গানে বরিশাল বিভাগে চ্যাম্পিয়ন আর সারা দেশে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করি।’ কথাগুলো বলতে বলতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে শর্মীর মুখ।

তাঁর গানের সঙ্গে এই গলাগলি কিন্তু শিশুকাল থেকেই। আর পুরস্কারের তাকটাও ভরতে থাকে সেই তখন থেকেই। জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় ছড়াগানে চ্যাম্পিয়নের স্বর্ণপদক যখন তাঁর গলায়, সে সময় তিনি তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর পুঁচকে মেয়েটি জারি গানে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন ও জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় হওয়ার সাফল্য দেখান জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে। আর সেই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকল অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও।

২০০৭ সালে বরিশাল বিভাগের কলেজগুলো নিয়ে আন্তকলেজ প্রতিযোগিতায় দেশাত্মবোধক গানে হয়েছিলেন সবার সেরা।

শর্মীর গানের গুরু কে? কৃতজ্ঞতা আর গর্বের সুরে তিনি বলেন, ‘আমার বাবা শংকর প্রসাদ চন্দ আর মা অঞ্জু চন্দ দুজনেই গান করেন। আমি তাঁদের কাছ থেকেই শিখেছি। এ ছাড়া নজরুলসংগীতে তালিম নিয়েছি আমার মামার কাছ থেকে।’

আর লক্ষ্যের কথা জানতে চাইলে শর্মী বলেন, ‘ঘাটতিগুলো সারিয়ে নিতে নিয়মিত চর্চা করে যাচ্ছি। আমার আপন ভুবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে, অবসর দিতে চাই পরিবারের জন্য সংগ্রাম করে চলা আমার বাবাকে।’ (প্রথম আলো)

 

 

 

ঢাকা/ এইচ আর