বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮, ৩ শ্রাবণ ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

হাবিপ্রবিতে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2017-06-12 00:03:56

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ ছাত্রীকে থাপ্পড় এবং ১ ছাত্রীর ওড়না ও বোরখা ছিড়ে ফেলার অভিযোগ এসেছে ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

ঘটনায় রোববার (১১ জুন) ৫০০ শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর সম্বলিত একটি লিখিত অভিযোগপত্র উপ উপাচার্য বরাবর দেন শিক্ষার্থীরা।

জানাযায়, গত ১৮ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা  বিএসসি এগ্রিকালচার ডিগ্রীর দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।

এর অংশ হিসাবে রোববার (১১ জুন) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে অবস্থান নেয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মু. আবুল কাশেম সহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। রোজা থেকে আন্দোলন পরিচালনা করায় প্রচন্ড গরমে এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে ৭ জন শিক্ষার্থী।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সাবেক ভিসি প্রফেসর রুহুল আমিনের সাথে কথা বলার জন্য তার  কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করেন। কিন্তু কতিপয় শিক্ষক তাদের বাধা দেয়। এতে শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে  কয়েকজন শিক্ষক ২ জন ছাত্রীকে থাপ্পড় দেন এবং একজনের ওড়না  ও বোরখা ধরে টান দেয়। এতে ঐ ছাত্রীর বোরখা ছিড়ে যায়।  এক ছাত্রীর পস্পকাতর জায়গায় হাত দেয় বলেও অভিযোগ করেন ছাত্রীরা।

পরে উপ উপাচার্য বরাবর ১১ শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দেয় শিক্ষার্থীরা।

শ্লীলতাহানির শিকার হওয়া ছাত্রীরা ঘটনার বিচার দাবি করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিক্ষকরা আমাদের গুরুজন ,বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় এ ধরনের আচরন মেনে নেয়া যায়না । শিক্ষকদের এহেন আচরণের সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন তারা।

উল্লেখ্য যে, হাবিপ্রবিতে বিএসসি ইন এগ্রিকালচার এন্ড এগ্রিবিজনেস ডিগ্রীর অধীনে ২০১৩ইং সাল থেকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হলেও ডিগ্রীটি পিএসসি অনুমোদিত না হওয়ায় তারা কোন সরকারি বা বেসরকারি চাকরির সুযোগ থাকছেনা। তাই ডিগ্রীটি পরিবর্তন করে বিএসসি ইন এগ্রিকালচার ডিগ্রীতে রুপান্তরের দাবিতে টানা ১৮ দিন থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন সহ নানা কর্মসূচীতে আন্দোলন করে আসছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আবুল কাশেম সাংবাদিকদের জানান, ১৩ তারিখে একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং এ ছাত্র-ছাত্রীদের দাবির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।

 

 

 

 

ঢাকা/ মহিউদ্দিন নূর/ এইচ আর