মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮, ১১ বৈশাখ ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ আত্মহত্যা করেনি, মৃত্যু ‘হত্যামূলক’

ডেস্ক রিপোর্ট | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2017-07-30 19:56:33

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরী আত্মহত্যা করেননি। দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার মৃত্যু ‘হত্যামূলক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি এবং দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি চট্টগ্রাম জোনের সিনিয়র এএসপি হুমায়ুন কবির  বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এসেছে।  তবে আমি এখনও ভালোভাবে দেখিনি।  বিস্তারিত বিশ্লেষণের সুযোগ এখনও হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিআইডির আরেক কর্মকর্তা  বলেন, এটা শুধুমাত্র দেখেছি যে হত্যামূলক উল্লেখ আছে।

দিয়াজ (২৭) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ‌্যালয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দিয়াজ সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

গত বছরের ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দুই নম্বর গেইট সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে দিয়াজের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।  পুলিশ দিয়াজ আত্মহত্যা করেছে বলে বক্তব্য দিলেও শুরু থেকেই তার পরিবার অভিযোগ করে আসছিল, দিয়াজকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ প্রথম দফা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে।  তারা আত্মহত্যা বলে প্রতিবেদন দিলে সেটি দিয়াজের পরিবার প্রত্যাখান করে।

২৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দের আদালতে দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।  মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপুসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়।  আদালত সরাসরি মামলা গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের আদেশ দিয়ে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে সিআইডি দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের উদ্যোগ নেয়।  গত বছরের ১০ ডিসেম্বর কবর থেকে দিয়াজের মরদেহ তুলে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে ঢামেকের ফরেনসিক টিম।  সাত মাস পর এসেছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন।

জানতে চাইলে ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেন, ২৪ জুলাই আমরা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছি।  গতকাল (শনিবার) সিআইডির টিম এসে প্রতিবেদন নিয়ে গেছে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আদালতের নির্দেশে তদন্তাধীন বিষয়।  বিষয়টি আমাদের প্রকাশ করা উচিৎ হবে না।(বাংলা নিউজের সৌজন্যে)

 

 

 

ঢাকা/ এইচ আর