বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮, ১০ মাঘ ১৪২৪
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

চবির উপাচার্য নিয়োগের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ডেস্ক রিপোর্ট | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2017-08-04 18:10:28

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ২৫ বছর যাবত্ সিনেট নির্বাচন ছাড়াই উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সিনেট উপাচার্য মনোনয়ন করবে সে সিনেটকেই করে রাখা হয়েছে অকার্যকর।

৭৩-এর অধ্যাদেশকে অমান্য করে ক্ষমতাসীন দলগুলো গত ২৫ বছর ধরেই পছন্দের ব্যক্তিকেই উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৭৩ এর ধারা ভেঙে নির্বাচন ছাড়াই সরকার দলীয় বিবেচনায় বছরের পর বছর উপাচার্য পদে বহাল রয়েছেন তারা। অধ্যাদেশ অনুযায়ী সিনেট সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত এবং আচার্যের মনোনীত একজন উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করবেন। কিন্তু বিগত দুই দশক ধরে দলীয় বিবেচনায় নিজেদের পছন্দের উপাচার্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছে সরকারগুলো। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষেত্রেও চলছে একই পদ্ধতি

১৯৯১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দমতো উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম চৌধুরীকে নিয়োগ দেয় বিএনপি সরকার। এরপর থেকে একই ধারায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৫ জুন নিয়োগ পান আওয়ামীপন্থি শিক্ষক প্রফেসর . ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, তিন বছর পর পর সিনেটের শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও সর্বশেষ নির্বাচন হয় ২০০১ সালে।

সর্বশেষ তিন বছর মেয়াদী রেজিস্টার্ড গ্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন হয় ১৯৮৬ সালে। চাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালে। (ইত্তেফাকের সৌজন্যে)

 

 

ঢাকা/ এইচ আর