সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

শাবিতে প্রক্সি দিয়ে ভর্তি: বছর ঘুরলেও শেষ হয়নি তদন্ত কার্যক্রম

জুনেদ আহমদ, শাবি থেকে | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2017-10-28 18:22:31

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে ভর্তির অভিযোগ ওঠার পর গত ২১ ডিসেম্বর সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু দীর্ঘ ৭ মাস পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি তদন্ত কার্যক্রম ।

শাবির ভর্তি পরীক্ষা কমিটি সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ‘এ’ ইউনিটের মানবিক বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। আর এদিনেই অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মো. হোসেন রাব্বিকে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে ভর্তি করানো হয়। তিনি ভর্তি পরীক্ষায় ‘এ’ ইউনিটের মানবিক বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হোসেন রাব্বি রংপুর ক্যান্ট পাবলিক কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলামকে প্রধান করে সাত সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, ড. সাজেদুল করিম, ড. কবির হোসেন, ড. সাবিনা ইসলাম, ড. জহিরুল ইসলাম, ড. এ এইচ এম বেলায়েত হোসেন ও রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় অন্যকে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মোহাম্মদ হোসেন রাব্বি নামের এক শিক্ষার্থীর উপর। তারই প্রেক্ষিতে পরদিন ২১ ডিসেম্বর বুধবার সাত সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠিতহয়। এ দীর্ঘ সময়ে কমিটির কোনো সভা বা মিটিং বসেনি। তবে কোনো প্রকার মিটিং বা সভা যদি বসেও সেটা আমাকে জানানো হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দীর্ঘ সময়েও কেন তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়নি জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক ড. আখতারুল ইসলাম জানান, এ আলসেমির তো কোনো মানে হয় না। আমাদের কাজ নরমাল আর সেটা শেষ হয়েছে। এটা হলো টেকনিক্যাল কাজ। ছবি ও তাকে মিলানো। আর সেটা পার্সপোর্ট অফিসের এক্সপার্ট দিয়ে দেখানো হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে সেটা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ নভেম্বর শাবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২০ ডিসেম্বর ‘এ’ ইউনিটের মানবিক বিভাগের ভর্তি কার্যক্রমের সময় হোসাইন রাব্বি প্রক্সি দিয়ে ভর্তি জালিয়াতি করেছে এমন সন্দেহে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা আটক করে প্রশাসনের কাছে দেয়। পরবর্তীতে তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে কিছু ডকুমেন্ট নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে প্রশাসন থেকে জানানো হয়।

 

 

 

ঢাকা/ প্রতিনিধি/ একে