শনিবার, ২৬ মে ২০১৮, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

শাবিতে একদিকে আন্দোলন অন্যদিকে ভোগান্তি !

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2018-03-01 18:28:08

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং এর ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনার দাবিতে আন্দোলনে ভোগান্তি পরেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। যার ফলে প্রথম দিকে এ আন্দোলনকে অনেকেই সমর্থন জানালেও পরবর্তীতে পিছু হটেন।

অন্যদিকে দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে থাকলেও বেলা তিনটার দিকে ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।  শিক্ষার্থীরা পুনর্বিবেচনার দাবিতে আন্দোলন করলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, যারা যে ধরনের অপরাধ করেছেন সে অনুযায়ী তাদেরকে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই প্রধান ফটকে তারা তালা মেরে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে অবস্থান নেন শতাধিক শিক্ষার্থী। এসময় শুধুমাত্র শিক্ষকদের পায়ে হেটে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দিলেও কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে হেটেও প্রবেশ করতে দেননি আন্দোলনকারীরা।

এদিকে দু একটি বিভাগ ব্যতিত বেশিরভাগ বিভাগেই কোনো ধরনের ক্লাস পরীক্ষা হয়নি। কর্মকর্তারা না আসতে পারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজকর্মও অনেকটাই স্থবির ছিলো।

বেলা আড়াইটায় প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলতে আসেন। এসময় প্রক্টর শিক্ষার্থীদেরকে গেটের তালা খুলে দিয়ে যথাযথ উপায়ে বিষয়টিকে মোকাবিলা করার পরামর্শ দিলে আরেক দফা বাক বিতন্ডতার সৃষ্টি ছাড়া ফলপ্রসু কিছুই হয়নি ।

তবে শেষ বিকালে এসে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর আজীবন বহিস্কারাদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য স্মারকলিপি প্রদান করেন ।

উল্লেখ্য, সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং ছয় নবীন শিক্ষার্থীকে র‌্যাগিং এর ঘটনায় একই বিভাগের দুইজনকে আজীবন বহিষ্কার সহ আরো তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় সিন্ডিকেট। আজীবন বহিষ্কারাদেশের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে তাৎক্ষণিকভাবে গতকাল বুধবার বিশ^বিদ্যালয়ের গোলচত্ত্বরের সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার প্রধান সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতিতে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় তার নিয়ম-নীতি অনুযায়ী চলবে। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি-দাওয়া কথা যৌক্তিক উপায়ে বলতে পারে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় তার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

 

 

 

 

ঢাকা/জুনেদ আহমদ/ একে