শনিবার, ২৬ মে ২০১৮, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

ইবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের উত্তেজনা: অস্ত্রহাতে বহিরাগত ক্যাডার

ইবি প্রতিনিধি- | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2018-03-04 22:44:21

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে টিএসসিসিতে আইন বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী রেজওয়ানুল ইসলামের সাথে সভাপতি গ্রুপের কর্মী আল-আমিন মিলনের বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে রেজওয়ান মিলনকে চড়-থাপ্পড় দিলে সে গালাগালি করতে করতে সাদ্দাম হলে পালিয়ে আসে এবং রিজওয়ানকে দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের হিমেল চাকমা, রাকিবসহ কয়েকজন হলে প্রবেশ করলে সভাপতি গ্রুপের কর্মী ও আইসিই বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুল ইসলাম সহ কয়েকজনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নাইমুল, শামীম, মিথুন, শিবলু, রুবেলসহ কয়েকজন হিমেলকে স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর করে। পরে হিমেলও নাইমুলকে কয়েকটি কিলঘুষি দেয়। ঘটনা শুনে লালন শাহ হল থেকে নাইমুলের ভাই ও সভাপতির কর্মী সালাউদ্দিন সজল অস্ত্রহাতে বহিরাগত ক্যাডারসহ ২০-৩০জন কর্মী নিয়ে সাদ্দাম হলে আসে। এসময় তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও হকিস্টিক দেখা যায়। এদিকে সাদ্দাম হলের মাঠে সাধারণ সম্পাদকেরও বিপুল সংখ্যক কর্মী অবস্থান নেয়। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানার পুলিশের টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাপদক জুয়েল রানা হালিম বলেন, কর্মীদের মাঝে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। আমি তখন ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ঘটনা শোনা মাত্রই আমি ক্যাম্পাসে এসে আমার কর্মীদের শান্ত করি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুর রহমান বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারনে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে। বিষয়টি শোনামাত্রই আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং সভাপতি ও সেক্রেটারীর সাথে বসে বিষয়টি মিমাংসা করেছি। বহিরাগত উজ্জল নামের এক ক্যাডারের নাম এসেছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

 

 

 

ঢাকা/ আমার ক্যাম্পাস/অনি