বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

ইবিতে কোটায় ভর্তির শর্ত শিথিল, ২৬ পেলেই চান্স!

ইবি প্রতিনিধি- | আমারক্যাম্পাস২৪.কম

Published: 2018-03-11 23:32:41

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করা হয়েছে। ফলে ভর্তি পরীক্ষার পূর্বনির্ধারিত শর্ত শিথিল করে ৩২ নম্বরের পরিবর্তে ২৬.৪০ নম্বর করা হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে।

রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, পূর্বে কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে গড়ে ৪০ শতাংশ অর্থাৎ ৩২ নম্বর পাওয়া বাধ্যতা মূলক ছিল। কিন্তু শর্ত শিথিল করে সেখানে ৩৩ শতাংশ অর্থাৎ ২৬.৪০ নম্বর পাওয়া বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে। তবে এই সিন্ধান্ত শুধুমাত্র চলতি শিক্ষাবর্ষের জন্যেই বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে কোটায় ভর্তিতে শর্ত শিথিল করায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা গুঞ্জন দেখা দিয়েছে। এছাড়া ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক জেষ্ঠ শিক্ষক। তাঁরা মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় প্রভাবশালী শিক্ষক-কর্মকর্তা তাদের সন্তানদের সুযোগ করে দেয়ার জন্যই এ শর্ত শিথিল করতে প্রশাসনকে বাধ্য করেছে ।

সূত্রে জানা যায়, ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু প্রভাবশালী শিক্ষক-কর্মকর্তারা কোটার শর্ত শিথিল করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নানা ভাবে চাপ প্রয়োগ করেছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শক্ত অবস্থানে রয়েছে এমনটি দেখাতে গিয়ে শর্ত শিথিল করেনি।

তাই ভর্তি পরীক্ষার আগে শর্ত শিথিল না করে এখন ভর্তি পরীক্ষার পরে শর্ত শিথিল করাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জেষ্ঠ শিক্ষক বলেন, ‘শর্ত শিথিল করার প্রয়োজন থাকলে তা ভর্তি পরীক্ষার আগেই করা প্রয়োজন ছিলো। হঠাৎ করে পরীক্ষার পর এখন কেন শর্ত শিথিল করা হচ্ছে। নিশ্চয় এতে কোন অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে বলে আমি মনে করি।’

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বড় একটি অংশের দাবির প্রেক্ষিতে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কোটার শর্ত শিথিল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী সিন্ডিকেটে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

 

 

 

ঢাকা/ আমার ক্যাম্পাস/অনি আতিকুর রহমান/ এআর