জাল সনদের অভিযোগে ৬৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শুনানি শুরু


জাল সনদের অভিযোগে অভিযুক্ত কলেজ পর্যায়ের ৬৩ শিক্ষককে ব্যক্তিগত শুনানির জন্য তলব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়া কিংবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জবাব না দেওয়ায় তাদের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে এ শুনানির আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) জারি করা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শুনানির তারিখ ও সময়ও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কেন এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) বাতিল বা স্থগিত করা হবে না—এ মর্মে আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রাপ্ত ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় এবং কিছু ক্ষেত্রে কোনো জবাব না পাওয়ায় বিষয়টি আরও যাচাই করতে ব্যক্তিগত শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত দিনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে শিক্ষা ভবনের ৩১৭ নম্বর কক্ষে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জরুরি নির্দেশনা

অফিস আদেশ অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাই, ২৭ জুলাই, ২৮ জুলাই, ৩০ জুলাই এবং ২ আগস্ট পর্যায়ক্রমে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুনানি শুরু হবে। এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) কার্যালয়।

শুনানিতে অংশ নেওয়ার সময় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সনদ এবং নিয়োগসংক্রান্ত সব নথির মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে। পাশাপাশি এসব কাগজপত্রের অধ্যক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত দুই সেট ফটোকপিও জমা দিতে হবে।

এছাড়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযুক্ত কোনো শিক্ষক যদি ইতোমধ্যে পদত্যাগ, বরখাস্ত, মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত না থাকেন, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ নির্ধারিত শুনানিতে উপস্থিত থাকতে হবে।